পশ্চিমবঙ্গের পরবর্তী শিক্ষামন্ত্রী হচ্ছেন অধ্যাপক ব্রাত্য বসু । রাজ্য পালাবদলের পর তিনি শিক্ষা মন্ত্রী হয়েছিলেন তবে সেটা কিছুদিনের জন্য । পরবর্তীকালে তাঁকে মন্ত্রী রাখা হলেও গুরুত্বহীন দপ্তরের মন্ত্রিত্ব দেওয়া হয়েছিল । রাজ্যে বিধানসভা নির্বাচনে অপ্রত্যাশিত ফলাফলের পর পুনরায় রাজ্যের শিক্ষামন্ত্রীর দায়িত্ব পেলেন সিটি কলেজের অধ্যাপক ব্রাত্য বসু । তিনি বিশিষ্ট নাট্যকার হিসেবেও পরিচিত । নন্দীগ্রাম , সিঙ্গুর আন্দোলনের সময় তিনি অত্যাচারিত কৃষকদের হয়ে মিডিয়াতে আওয়াজ তুলেছিলেন । উল্লেখ্য , বিগত কয়েক বছরে রাজ্য সরকারের বিরুদ্ধে মূল যে জায়গাটায় ক্ষোভের সৃষ্টি হয়েছিল সেটা ছিল যুব সমাজের মধ্যে যারা টেট , এসএসসি চাকরিপ্রার্থী ছিলেন । রাজ্য প্রথমবার ক্ষমতায় এসে একবার বিপুল সংখ্যক শিক্ষক নিয়োগ করেছিল এসএসসি যে সময়ে রাজ্যের শিক্ষামন্ত্রী ছিলেন ব্রাত্য বসু । আশা করা হচ্ছে রাজ্যের একটি বৃহৎ অংশ সারাবছর এসএসসি পরীক্ষার জন্য অপেক্ষা করে থাকে হয়তো ব্রাত্য বসু কে পুনরায় রাজ্যের শিক্ষামন্ত্রী করে যুব সমাজের কাছে একটা আশার বার্তা দিল রাজ্য সরকার । অপরদিকে বিধানসভায় বিরোধীদলের নেতা হলেন নন্দীগ্রামের বিজেপি বিধায়ক শুভেন্দু অধিকারী । তিনি স্বয়ং মুখ্যমন্ত্রীকে পরাজিত করেছিলেন প্রেস্টিজ ফাইটে টানটান লড়াইয়ের পর । রাজ্যে বিজেপির ফলাফল সংখ্যাগরিষ্ঠতা থেকে অনেক দূরে কিন্তু তার মধ্যে যদি সান্তনা পুরস্কার বিজেপি কিছু পেয়ে থাকে সেটা মুখ্যমন্ত্রীকে হারানো । সেইসঙ্গে বিজেপির এই মুহূর্তে আন্দোলনের মুখ বলতে একমাত্র শুভেন্দু অধিকারী তাই রাজ্য বিজেপি ভবিষ্যতের কথা ভেবে এবং আগামী নির্বাচনগুলির কথা ভেবে শুভেন্দু অধিকারীকে বিরোধী দলনেতা ঘোষণা করল । উল্লেখ্য, দীর্ঘদিনের রাজনীতিক এবং রাজ্যের মন্ত্রী থাকার সুবাদে বিধানসভার কার্যকলাপ এবং প্রশাসনিক বিষয়গুলি তাঁর নখদর্পণে ।

