অবশেষে আগামী কাল থেকে খুলে যাচ্ছে বিদ্যালয়ের পঠনপাঠন তবে পুরোপুরি নয় । বোর্ড পরীক্ষার কথা মাথায় রেখে নবম থেকে দ্বাদশ শ্রেণী পর্যন্ত শুরু হবে পঠনপাঠন । সেই সাথে এবছর যারা মাধ্যমিকের ফর্ম ফিলাপ করেছে তারাও স্কুলে আসবে । তবে , সচেতন থাকতে হবে মহামারী নিয়ন্ত্রণে চলে এলেও পুরোপুরি দূর হয়ে যায়নি তাই সমস্ত সতর্কতামূলক ব্যবস্থা অবলম্বন করে শিক্ষার কাজ এগিয়ে নিয়ে যেতে হবে । প্রথম পর্যায়ে সাফল্য এলে ধীরে ধীরে সমস্ত ক্লাস স্বাভাবিক করা হতে পারে । শিক্ষা দপ্তর থেকে এবং বিদ্যালয় থেকে বেশ কিছু স্বাস্থ্যবিধি ও সতর্কতামূলক ব্যবস্থা অবলম্বন করা হয়েছে । যেমন –
১ ) প্রত্যেককে বিদ্যালয়ে মাস্ক পরে আসতে হবে । জ্বর , সর্দি , কাশি বা শারীরিক দুর্বলতা থাকলে বিদ্যালয়ে আসা যাবেনা ।
২ ) বিদ্যালয়ের নির্দিষ্ট সময়ে আসতে হবে এবং ছুটি হয়ে যাওয়ার পর চলে যেতে হবে অহেতুক নির্দিষ্ট সময়ের অনেক আগে থেকে বিদ্যালয়ে আসা যাবেনা এবং ছুটি হয়ে যাওয়ার পর থাকা যাবেনা এবং প্রতি ক্লাসকে তাদের নির্দিষ্ট সিডিউল মেনে আসতে হবে ।
৩) শ্রেণিকক্ষে দৈহিক দূরত্ব বজায় রেখে বসতে হবে । মাঠে খেলাধুলো করা যাবেনা । বিদ্যালয় চলাকালীন কাউকে গেটের বাইরে যেতে দেওয়া হবেনা তাই প্রত্যেককে বাড়ি থেকে টিফিন নিয়ে আসতে হবে । প্রত্যেককে নিজ নিজ জলের বোতল নিয়ে আসতে হবে । একে অপরের টিফিন , জলের বোতল থেকে জল ভাগাভাগি করে খাওয়া যাবেনা ।
৪ ) বিদ্যালয়ে কোনভাবে মোবাইল আনা যাবেনা ।
৫ ) সকলকে আবেদন জানানো হচ্ছে বাথরুমে টয়লেট করার পর জল ঢালতে হবে ।
৬ ) বিদ্যালয়ে হাত ধোয়ার জায়গায় সাবান রাখা থাকবে , প্রয়োজনে সাবান দিয়ে হাত ধুতে হবে ।
৭ ) ধাতব অলংকার বা কোনোকিছু পরে আসা যাবেনা ।
৮ ) অন্য সেকশনের ক্লাসে প্রবেশ করা যাবেনা । একে অপরের বই , খাতা , পেন বা অন্যান্য শিক্ষা সামগ্রী আদান-প্রদান করা যাবেনা । প্রত্যেককে নিজের নিজের শিক্ষা সামগ্রী সঙ্গে নিয়ে আসতে হবে ।
৯ ) বিদ্যালয়ে কোন ছাত্র বা ছাত্রী অসুস্থতা বোধ করলে সঙ্গে সঙ্গে শিক্ষক-শিক্ষিকাদের জানাতে হবে ।
সকলকে এগুলি আন্তরিকতার সাথে মেনে চলতে হবে । আমাদের ঐক্যবদ্ধভাবে মহামারীর বিরুদ্ধে লড়াই করে এগিয়ে যেতে হবে ।

প্রতীকি ছবি ।