এইরকম প্রতিকূল পরিস্থিতি শেষ কবে কে দেখেছে কারোর জানা নেই। গত কয়েকমাস ধরেই প্রশ্নটা ঘুরে বেড়াচ্ছিল পুজো এবার হবে তো ।মহামারী ,অর্থনৈতিক মন্দা ,বেকারত্ব আম্ফান সবকিছু মিলিয়ে কঠিন পরিস্থিতি তবে যাইহোক শেষ পর্যন্ত পাঁশকুড়ার বিভিন্ন পুজো উদ্যোক্তারা ছোট করে হলেও পুজো করার সিদ্ধান্ত নিয়েছে কারণ দুর্গাপুজোর সাথে রয়েছে মানুষের মনের টান।সেইসঙ্গে বিপুল পরিমান অর্থনীতি ও মানুষের রুজি রোজগার নির্ভর করে দুর্গাপুজোর ওপর। সুদিনে পুজো করবো আর দুর্দিনে পুজো করবোনা তাহলে সেটা যাই হোক মায়ের সাথে আত্মিক টান থাকেনা তখন সেটা বিনোদনে দাঁড়ায় তাই পাঁশকুড়ার বিভিন্ন পূজা কমিটি ইতিমধ্যে প্রস্তুতি শুরু করেছে। সদস্যরা নিজেদের মধ্যে আলাপ-আলোচনা শুরু করেছে । ইতিমধ্যে পাঁশকুড়ার সুরানানকারে মহিলা পরিচালিত দুর্গাপুজোর খুঁটি পুজো হয়েছে ।পাঁশকুড়া ক্যানেল বাজার সার্বজনীন দুর্গাপুজো কমিটির সদস্যরা একপ্রস্থ আলোচনা সেরে প্রস্তুতি শুরু করেছে। কমিটির সভাপতি অঞ্জন মন্ডল বলেন দুলাখ টাকা বাজেটের মধ্যে পুজো করার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে । মন্ডপের তিন দিক খোলা উপরে শামিয়ানা রেখে পুজো করা হবে। পুষ্পাঞ্জলির ক্ষেত্রে আমাদের স্বেচ্ছাসেবকরা থাকবে । কঠোরভাবে সামাজিক দূরত্ব ,হাত স্যানিটাইজড করা এগুলোর ব্যবস্থা থাকবে সেই সঙ্গে পুষ্পাঞ্জলির ফুল অর্পণ করার জন্য পাত্র রাখা থাকবে সেখানেই ফেলতে হবে। অন্যান্য পুজো কমিটিগুলো প্রস্তুতি শুরু করেছে আসলে কমিটির সদস্যদের বক্তব্য সুদিনে পুজো সবাই করতে পারে দুর্দিনে প্রতিকূলতাকে জয় করে এগিয়ে যাওয়াটাই আসল সেইসঙ্গে চরম অর্থনৈতিক মন্দার দিনে পুজো হলে অনেকের কাজের সন্ধান হবে তবে যেহেতু বিপুলসংখ্যক মানুষের আয় কমে গিয়েছে তাই কম বাজেটে পুজো করা হবে । তবে সংক্রমণের কারণে অনেক পুজো কমিটি সিদ্ধান্ত নিয়েছে খিচুড়ি ভোগ ,পুষ্পাঞ্জলির পর লুচি এগুলোর ব্যবস্থা এবার তারা রাখবেনা ।সেইসঙ্গে পুজো দেওয়ার জন্য কাটা ফলের বদলে গোটা ফল দেওয়ার আবেদন রাখা হবে ।

চলছে পুজোর আলোচনা ।

প্রতিকূল পরিস্থিতিতেও থেমে থাকবেনা বাঙালির সেরা পুজো দুর্গাপুজো তবে উদ্যোক্তাদের আন্তরিক প্রচেষ্টার সাথে সাথে মানুষকেও সর্তকতা অবলম্বন করতে হবে । সামাজিক দূরত্ব ,মাস্ক পরে রাস্তায় বেরোতে হবে ।