একদা ছিলেন পাঁশকুড়ার রাজনৈতিক অভিভাবক ও অবিসংবাদি কমিউনিস্ট নেতা ।আজ তাঁর মৃত্যুবার্ষিকী ।পাঁশকুড়া পশ্চিমের দীর্ঘদিনের বিধায়ক ছিলেন ।প্রথম জীবনে তিনি ছিলেন ভারতের কমিউনিস্ট পার্টি সি পি আই এর বিধায়ক এবং মন্ত্রীও হয়েছিলেন ,ক্ষুদ্র সেচ দপ্তরের মন্ত্রী। কোনও কারণে দলের সাথে দূরত্ব তৈরি হয় এবং ১৯৯৬ সালের বিধানসভা
নির্বাচনে প্রার্থী করেনি দল । পরবর্তীকালে তিনি যোগ দেন সিপিএমে । তৎকালীন নন্দনপুর বিধানসভা থেকে একবার উপনির্বাচনে জয়লাভ করেন সিপিএমের টিকিটে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করে। তবে ২০০১ সালে বিধানসভা নির্বাচনে তিনি পরাজিত হন। ২০০২ সালে পাঁশকুড়ায় প্রথম পৌরসভা নির্বাচনে তিনি পৌরপ্রধান হয়েছিলেন। তবে আবার সিপিএমের সাথে দূরত্ব তৈরি হয় । ২০০৭ সালের পুরসভা নির্বাচনে দল তাঁকে টিকিট দেয়নি তবে ওই নির্বাচনে নন্দীগ্রাম কাণ্ডে পাঁশকুড়া পৌরসভা বামেদের হাতছাড়া হয় এরপর তৃণমূলের সাথে তাঁর ঘনিষ্ঠতা বাড়ে এবং ২০১১ সালের বিধানসভা নির্বাচনে পাঁশকুড়া পশ্চিম বিধানসভা আসনে তৃণমূলের টিকিটে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করে জয়লাভ করেন। তবে পাঁচ বছরের মেয়াদ শেষ হওয়ার কয়েক মাস আগে তাঁর জীবনাবসান হয় । রাজনীতির পাশাপাশি তাঁর মূল পেশা ও পরিচয় ছিল অভিজ্ঞ হোমিওপ্যাথিক চিকিৎসক তাই বিধায়ক মন্ত্রী বা পৌর প্রধান যে পদেই আসীন থাকুন তিনি তাঁর নিজস্ব পেশাকে কোনদিন ছেড়ে দেননি । পাঁশকুড়ায় প্রথম পানীয় জলের জন্য রাস্তায় যে টাইম কলের পাইপ পাতা হয়েছিল সেটা তার সময়কালে ।

